Home / বিনোদন / প’তিতাপল্লী নয় অ’নলাইনে বুকিং করলেই বাড়িতে আসবে না’রী!

প’তিতাপল্লী নয় অ’নলাইনে বুকিং করলেই বাড়িতে আসবে না’রী!

প’তিতাপল্লী নয়, এবার অ-নলাইনে বুকিং কর-লেই বাড়িতে -আসবে না-রী!ব্যাংক থেকে পো-স্ট অফি-স, অন-লাইন ছা-ড়া- দুনিয়া অচল। বাজারও হয়ে যায় বাড়িতে বসে। তাহলে শা’রীরিক সু’খ কেন পাওয়া যাব’’’ে না ঘরে বসে।সে দিন -য-খন প’তিতাপল্লীতে মুখ লুকিয়ে গি-য়ে শা’রীরিক তৃ’’’প্তি মিটি-য়ে নেওয়া। অত সময় -নেই।একাকি জীবন, বাইরে যেতেও ভালো লাগে না।

স’’’ঙ্গী বেছে নিন ফে’সবুকের বিশেষ বন্ধু পাতানোর পেজ থেকে। টাকা দিন অনলাইনে।কাজ শুরু। সহজ ব্যপার। ইন্টারনেটে এসকর্ট সার্ভিস কিংবা ভিডিও চ্যাটের অতিসহজ প’’’দ্ধতিই এশিয়ার সবথেকে বড় যৌ’’নপল্লীর ব্যবসায় বা’ধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। -দিনে দিনে আয় ক-মে যাচ্ছে।

আগের থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শ-তাংশ আয় কমে গি-য়েছে ক- লকা-তার সোনাগাছির যৌ’’ন-র্মী-দের। এ-ম-নটাই জা-নিয়েছে সো-নাগাছির মহি-লারা। সোনাগাছি কলকাতায় অবস্থিত এশিয়ার বৃ’’’হত্তম নি’ষি’’’’দ্ধ পল্লি। এই পতি’তালয়ের কয়েকশত বহুতল ভবনে প্রায় ১০০,০০০ যৌ’’নকর্মী বসবাস করেন। আরোও পড়ুনঃ বাড়িতে আসতে দেরি করায় স্বামীরটি কে’টে দিলেন স্ত্রী– খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থা’নার শিরোমণি মধ্যপাড়া এলাকায় ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসতে দেরি করায় স্বামীর কে’টে দিয়েছেন স্ত্রী।

আ’হত অব’স্থায় ওই ব্য’ক্তিকে উ’দ্ধার করে খুলনা মে’ডিক্যাল ক’লেজ হা’সপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) এ ঘ’টনা ঘ’টেছে। জা’না যায়, খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থা’নাধীন শিরোমণি মধ্যপাড়া এলাকার ওই ব্য’ক্তির নাম আলামীন শেখ (৩৫)।

তিনি পেশায় সে’না সদস্য। আরোও পড়ুনঃ হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন?—ঘুরতে গেলে হোটেলে তো থেকেছেন নিশ্চয়ই। সব হোটেলের বি’ছানার চাদর এবং বালিশের কভার সাদা! কখনো খেয়াল ক’রেছেন? মনে হতেই পারে হোটেলের বি’ছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন?

নব্বয়ের দশকের শুরুতে ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপ তাদের হোটেলের ঘরগুলোতে সাদা বালিশ, চাদর, তোয়ালের ব্যা’পক ব্যবহার শুরু করে। সে সময় ইউরোপ এবং আমেরিকার কয়েকটি নামী হোটেলে সাদা চাদর, বালিশ ব্যবহারের চলন ছিল। তবে ১৯৯০ এর দিকে ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস, প্রেসিডেন্ট এরিন হুভার-ই ওয়েস্টিন হোটেল, গ্রুপের ঘরগুলোতে সাদা চাদর, বালিশ ব্যবহারের প’রামর্শ দেন।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি যু’ক্তিও দিয়েছিলেন হুভার। এরিন হুভার এর যুক্তি ছিল, সাদা চাদর, বালিশ হোটেলের অতিথিদের মনে পরিচ্ছন্নতার অনুভূতি তৈরি করে। এনে দেয় মা’নসিক তৃপ্তি। এরিন হু’ভারের যুক্তি মেনে এই পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে ওয়েস্টিনের হোটেলগুলোর ব্যবসা অনেকটাই বেড়েও যায়।

অতিথিদের পছন্দের হোটেলের তালিকার জায়গা করে নেয় ওয়েস্টিনের হোটেলগুলো। পরবর্তীকালে প্রায় সকলেই এই পন্থা অনুসরণ ক’রতে শুরু করেন। সাদা রং অনেক বেশি আলোর প্র’তিফলন ঘ’টায়। তাই সাদা চাদর, বালিশ, পর্দা ব্যবহারের ফলে হোটলের ঘরগুলো আরও উজ্জ্ব’ল বলে মনে হয়। তাছাড়া সাদা চাদর, বালিশ, পর্দা ময়লা হলে সবকটি এক স’ঙ্গে ই ধুয়ে নেওয়া যায়।

অন্যান্য যে কোনও র’ঙের ক্ষেত্রে এক রঙের কাপড়ের থেকে আরেকটায় রং লে’গে যাওয়ার স’ম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়া সাদা রঙ যে দে’খতেও ভাল লাগে তা আর বলার অপে’ক্ষা রাখে না। এরিন হু’ভারের এমন যুক্তিও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে সকলের কাছে।

হোটলের ঘরগুলোর দেওয়ালের রং ঘন ঘন পাল্টানো সম্ভব নয়। ঘরের দেওয়ালের রঙের স’ঙ্গে বি’ছানার চাদর, বালিশ বা পর্দার রং না মিললে দে’খতেও ভাল লাগে না।

তাছাড়া ঘন ঘন মানানসই রঙের চাদর, বালিশ আর পর্দা পাওয়া মুসকিল। তাই সাদা রঙের চাদর, বালিশ বা প’র্দার ব্যবহারে এই সম’স্যাগুলোর স’মাধান হতে পারে অনায়াসে। ‘ব্য’তিক্রমী কিছু সৃষ্টি ক’রতে চাইলে, খুঁটিনাটি বিষয়েও নিখুঁত পর্যবেক্ষণ জ’রুরি’ – এই মতাদর্শকেই সামনে রেখে এরিন হুভারের এই পদক্ষে’প হোটেল ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন এনে দেয়।

সামান্য চাদর, বালিশের রং হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে বা হোটেলের অতিথিদের ভাবনা চিন্তায় কতটা প্র’ভাবিত ক’রতে পারে তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন হুভার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রা’ন্তে শতাধিক নামী হোটেলে এমনই আরও নানা খুঁ’টিনাটি বিষয় মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয় সাদা রঙের চাদর, বালিশ। তবে এরিন হু’ভারের যুক্তি বা ব্যাখ্যাগুলোই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।

About admin

Check Also

ম’হিলারা কোন ধরনের ছে’লেদের সাথে প’রকিয়া করে।

কথায় আছে ‘মেয়েদের মন নাকি ঈশ্বর ও বুঝতে পারেন না’। মেয়েরা কখন কি চায়, কাকে …

One comment

  1. আমার একজন সুন্দরী বালীকা লাগবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *