Home / বিনোদন / অনেক পুরু’ষই জানে না, কী করলে না’রী উ’ত্তেজিত ছটফট করে

অনেক পুরু’ষই জানে না, কী করলে না’রী উ’ত্তেজিত ছটফট করে

কিছুক্ষণ আগে কী হলো তা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে! তখন তো দুইজনেই উন্ম’ত্ত ছিলেন! অতএব, কীভাবে ব্যাপারটা হয়ে গেল, তা টের পাওয়া বেশ মুশকিলের!কিন্তু, তারপর?সে’ক্স হয়ে গেলে সাধারণত না’রীরা সাধারণত কিছু কাজ না করে থাকতেই পারেন না। পাঠকদের জন্য সেই বি’ষয়গু’’’লো তুলে ধ’রা হলো:

১. কতক্ষণ হলো :শোনা যায়, সে’ক্স হয়ে যাওয়ার পরেই না কি সবার আগে ঘড়ি দেখেন না’রীরা! কারণ তো স্পষ্ট- মিলিয়ে দেখে নেওয়া এবার কতক্ষণ সময় লাগলো! বেশি সময় লাগলে বেশি তৃ’’’’প্তি, অন্যথায় খুঁতখুঁতুনি!

২. ক’নডমটা ছিঁ’ড়েছে কিনা:পু’রুষরা যখন কাজকর্ম সেরে আবেশে বিভোর, না’রীরা তখন চুপিসাড়ে একবার দেখে নেন ফে’লে দেওয়া ক’নডমটা- ওটা ছিঁ’ড়ে যায়নি তো! বিস্তারিত বলার দরকার নেই- কেন তারা এরকম করে থাকেন! গ’র্ভবতী হয়ে পড়লে তো তাদেরই চা’প বেশি!

সে’ক্স হয়ে যাওয়ার পরেই না কি সবার আগে ঘড়ি দেখেন না’রীরা! কারণ তো স্পষ্ট- মিলিয়ে দেখে নেওয়া এবার কতক্ষণ সময় লাগলো! বেশি সময় লাগলে বেশি তৃ’’’’প্তি, অন্যথায় খুঁতখুঁতুনি!কিছুক্ষণ আগে কী হলো তা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে!

তখন তো দুইজনেই উন্ম’ত্ত ছিলেন! অতএব, কীভাবে ব্যাপারটা হয়ে গেল, তা টের পাওয়া বেশ মুশকিলের! কিন্তু, তারপর? সে’ক্স হয়ে গেলে সাধারণত না’রীরা সাধারণত কিছু কাজ না করে থাকতেই পারেন না। পাঠকদের জন্য সেই বি’ষয়গু’’’লো তুলে ধ’রা হলো।

৫০ বছর ধরে বিয়ে পড়ান ভুয়া কাজি ! নিবন্ধ’ন না থাকার পরও বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোহাম্ম’দ মোসাদ্দেক হোসেন (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার দুপুরে বিয়ের আসর থেকে আ’টক করা হয়েছে।

পৌর এলাকার কাউতলীর একটি হোটেল থেকে কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে আ’টক করে পু’লিশের হাতে তুলে দেয়। আ’টক মোসাদ্দেক জে’লার নবীনগর উপজে’লায় শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রামের মৃ’ত শরীফ উদ্দিনের ছেলে।

তাঁর কাছ থেকে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন বই ও দুটি তালাক নিবন্ধ’ন বই এবং সিলমোহর উ’দ্ধার করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা কাজি সমিতির সভাপতি ইয়াহিয়া মাসুদ জানান, মোসাদ্দেক স’রকারের নিবন্ধিত কোনো কাজি নন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজি পরিচয়ে বিয়ে পড়িয়ে আসছিলেন। তাজ হোটেলে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন করার সময় কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে হাতেনাতে আ’টক করেন। এরপর তাঁকে জে’লা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চ’ক্র ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধ’ন করে আসছে। মূ’লত নিবন্ধিত কাজিরা যেসব বিয়ের নিবন্ধ’ন কাজ প্রত্যাখ্যান করেন- ওই চ’ক্রটি সেসব বিয়ে নিবন্ধ’ন করে থাকে।

আ’টক মোসাদ্দেক জানান, তিনি ১৯৭১ সাল থেকে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাগজপত্রের বৈধতা নিয়ে আ’দালতে মা’মলা আছে। মা’মলার একাধিক রায়ও তিনি পেয়েছেন। জে’লা রেজিস্ট্রার স’রকার লুৎফুল কবির বলেন,

আ’টক ব্যক্তি নিবন্ধিত কাজি নন। তাঁর বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া তাঁর কাছে পাওয়া নিবন্ধ’ন বইগুলোও নকল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) মুহাম্ম’দ শাহজাহান জাহান, ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

About admin

Check Also

ম’হিলারা কোন ধরনের ছে’লেদের সাথে প’রকিয়া করে।

কথায় আছে ‘মেয়েদের মন নাকি ঈশ্বর ও বুঝতে পারেন না’। মেয়েরা কখন কি চায়, কাকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *