Home / অন্যান্য / গ*ভীর রাতে লাইভে এসে ব*স্ত্র খুলা অবস্থায় খ*দ্দের খোঁজে তরু*ণীরা!

গ*ভীর রাতে লাইভে এসে ব*স্ত্র খুলা অবস্থায় খ*দ্দের খোঁজে তরু*ণীরা!

র্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে। ঠিক তেমনি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মানুষ খা’রাপ কাজের সাথে যুক্ত হচ্ছে।

বর্তমান সময়ে কিছু ত’রুণীরা অর্থ উপার্জন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে খা’রাপ কাজ করার জন্য যুবকদের সাথে লাইভে যোগাযোগ করছে। এমনকি কিছু ত’রুণী বস্ত্র খুলা অবস্থায় লাইভে এসে খদ্দের খোঁ’জেন।

এসব ত’রুণীদের প্রথম টা’র্গেট প্রবাসীরা। দিন দিন এমন ঘ’টনা বেড়েই চলছে। আর এবার এক প্রতিবেদনে এই অ’সামাজিক কার্যকলাপের ত’থ্য উঠে এসেছে। প’তিতা পল্লী নয়, অনলাইনে পোষাক না পরে খদ্দের খোঁ’জছে তরুণীরা!

বুকিং করলেই বাড়িতেও চলে আসছে। ইন্টারনেটে ভিডিও লাইভের অতিসহজ প’দ্ধতিই এখন খদ্দের খোঁ’জার বড় মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাই নেইম ইজ শিলা, শিলা কী জোয়ানি… হিন্দি গান বাজছে। তালে তালে নাচছেন এক তরুণী। তার পড়নে হেজাব। শরীর থেকে একের পর এক বস্ত্র খুলছেন তিনি। ছুঁড়ে মা’রছেন আর মিষ্টি হাসি দিচ্ছেন।

কড়া লাল লিপিস্টিকে রাঙা ঠোঁট দুটি ফুলের মতো পাপড়ি মেলছে যেনো। এই শীতের রাতে ত’রুণীর উত্তাপ ছড়ানো কাণ্ড দেখতে কিছুক্ষণের মধ্যেই হাজির সহস্র মানুষ। একের পর এক বস্ত্র খুলতে খুলতে তরুণীর শরীরে অবশিষ্ট দুটি পোশাক।

অনেকের ধারণা ছিলো তাও খুলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মেলে ধরবেন হয়তো। কিন্তু ত’রুণী নিজেই জিজ্ঞাসা করেন, হ্যালো ফ্রেন্ডস আরও দেখতে চাও? ফ্রি ফ্রি আর কত.. বাকিটা দেখতে হলে ইমোতে আসতে হবে। সব দেখাবো। তবে শর্ত প্রযোজ্য।

আগে পে, আগে বিকাশ, দেন উষ্ণ আদর দেব, যতো চাও। হ্যাঁ কথাগু’লো বলছিলেন ফেসবুক লাইভে। দশর্ক তা দেখছিলেন আর লাভ, লাইক রিয়েক্ট দিচ্ছিলেন। অনুনয়ন করে কমেন্ট করছিলেন অনেকে, আরও দেখাও.. আরেকটু প্লিজ। তুমি অনেক সুন্দর, অনেক হট.. ইত্যাদি। কেউ কেউ অবশ্য দেখছিলেন আবার নসি’হতও করছিলেন। বলছিলেন, এগু’লো ভালো না।

ভালো হয়ে যাও। অনেকেই নিজেদের ফোন নম্বর দিচ্ছিলেন। লিখছিলেন, তোমাকে চাই। ইনবক্সে আসো প্লিজ.. এইসব।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন অসংখ্য না’রী রয়েছে। যারা শারীরিক-মানসিক প্রশান্তি দিতে হাজির হন লাইভে।

সেখান থেকে অর্থের বিনিময়ে ডেকে নেন ইমোতে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরাসরি নিজের বাসাতে। কেউ কেউ বাইরেও আসেন। তাদেরই একজন নিশি। এটা তার ফেইক নাম। প্রকৃত নাম গো’পন করে লাইভে আসেন। পুরো চেহারা দেখান না কখনও।

সর্বোচ্চ আবেদনময়ী ঠোঁটের হাসি পর্যন্ত প্রদর্শন করেন।নিশির স’ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাভারের বিরুলিয়ায় থাকেন। স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুড়ি, ননদ রয়েছে সংসারে। স্বামী পরিবহন শ্রমিক। নিশির লেখাপড়া মাধ্যমিক পর্যন্ত। এই পরিবারের তিন নারীই অ’নৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করেন।

নিজেদের শরীর-সৌন্দর্যই তাদের পুঁজি। তবে শ্বাশুড়ির কদর নেই। বয়স হয়েছে, তার চে বড় কথা সময় পাল্টেছে। সন্ধ্যার পর প্রান্তকুঞ্জ, ফার্মগেট বা আগারগাঁও এলাকায় দাঁড়ালেই আগের মতো বাণিজ্য হয় না। সবাই ঝুঁকছে এখন ইন্টারনেটে। সেখান থেকেই নিরাপদে স’ঙ্গী খুঁ’জে নিচ্ছে।

এতে পিছিয়ে রয়েছেন যারা তাদের বাণিজ্য ভালো না। তাছাড়া এখন এই পেশাতেও স্মা’র্ট ‘হতে হয়।জানতে হয় অনেক কিছু। নাচ, গান, শু’দ্ধ-সুন্দর করে কথা বলতে হয়। নিয়মিত পার্লারে যেতে হয়। খাবার নিয়ন্ত্রন রাখতে হয়। ব্যায়াম করতে হয়।

তার ভাষায়, প্রত্যেককেই এক একজন ক্যাটরিনা কাইফ ‘হতে হয়। নইলে টাকাওয়ালাদের ধ’রা যায় না। তারা তারকা হোটেলমুখি।শ্বাশুড়ির পরামর’্শেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে আসেন। মাঝে-মধ্যে পার্টিতে যান। নাচ করেন। স’ঙ্গে নিয়ে যান কম বয়সী ননদকেও।

স্বামী পরিবহন শ্রমিক হলেও মাঝে মধ্যে চাকরি ছেড়ে দেন। অলস সময় কা’টান। খা’রাপ জিনিসের নে’শা আছে তার। বয়স্ক শ্বশুর অ’সুস্থ। বা’ধ্য হয়েই এই পরিবারের তিন না’রীকে অর্থ উপার্জন করতে হয়।সম্প্রতি একটি লাইভে নিশি বলেছেন, পরাম’র্শ দিতে টাকা লাগে না। এসব দিতে হবে না। এগু’লো জানা আছে। চাকরি করতে গেলেও মালিক খা’রাপ প্’রস্তাব দেয়।

রাজি না হলে চাকরি যায়। কেউ এমনি এমনি টাকা দেয় না। তাই সেবা দিই, টাকা নিই।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরকম নিশি অ’সংখ্য। সমাজ ও অ’পরাধ বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্দিষ্ট কোনো ফ্লাটফর্ম না থাকায় নিশিরা পরিচয় গো’পন করে সর্বত্রই ছ’ড়িয়ে রয়েছেন।

ইন্টারনেটকে তারা একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। ইন্টারনেট সুরক্ষার জন্য এ বি’ষয়ে শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। যেনো একের কর্মকাণ্ডে অ’পরের ক্ষ’তি না হয়। এদিকে, দেশে প্রতিনিয়ত কিছু ত’রুণী খা’রাপ পথে পা বাড়িয়ে যুবকদের বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে দিন দিন সমাজ অধপতনের দিকে যাচ্ছে।

আর এই সকল ত’রুণীরা এমন খা’রাপ কাজের সাথে যুক্ত হয়ে যুবকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু এই সকল খা’রাপ ত’রুণীরা ইন্টারনেটে অন্য কোনো কাজ করতে না পারায় তারা সহজে এই খা’রাপ পথ বেছে নিচ্ছে।

About admin

Check Also

স্ত্রী’কে সারা রাত স’হ’বাসে তৃপ্তি দিন ১ টু’করো মুখে নিয়ে

সুস্থ দে’হ ও সুন্দর মন পাওয়ার আকাঙ্খা সবারই থাকে। আজীবন তারুণ্য ধরে রাখতে এবং যৌ’বনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *